বাংলাদেশে গ্রামীণ পরিবেশে ছাড়া অবস্থায় যেসব হাঁসমুরগি পালা হয় সেগুলো নিজেরা যতটুকু সম্ভব খাবার খায় এবং এদেরকে শুধু চালের কুঁড়া সরবরাহ করা হয়। এতে হাঁস-মুরগি পুষ্টিহীনতায় ভোগে। এছাড়া খামারে খাবার উপযুক্ত মাত্রায় সরবরাহ না করলেও হাঁস-মুরগি পুষ্টিহীনতায় ভোগে। ফলে হাঁস-মুরগি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফলন যেমন- ডিম, মাংস পাওয়া যায় না। এজন্য এদেরকে ৬টি পুষ্টি উপাদান (শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন, খনিজ, পানি) সমৃদ্ধ খাবার হিসেবে সরবরাহ করা হয়। এটাই হাঁস-মুরগির সম্পূরক খাদ্য। সম্পূরক খাদ্যে দানা জাতীয় ও আঁশ জাতীয় খাদ্য রাখতে হয়। নিচে বাড়ন্ত মুরগির সম্পূরক খাদ্যের তালিকা দেখানো হলো:
৮-১৬ সপ্তাহ বয়সের বাড়ন্ত মুরগির জন্য সম্পূরক খাদ্যের তালিকা
| উপাদান | পরিমাণ |
| গম ভাঙা | ৫০ ভাগ |
| গমের ভুসি | ১০ ভাগ |
| চালের কুঁড়া | ১৬ ভাগ |
| শুঁটকি মাছের গুঁড়া | ৯ ভাগ |
| তিলের খৈল | ১২ ভাগ |
| ঝিনুকের গুঁড়া | ২.৫ ভাগ |
| লবণ | ০.৫ ভাগ |
মোট | ১০০ ভাগ |
| কাজ: শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে দলীয়ভাবে বাড়ন্ত মুরগির জন্য ১ কেজি সম্পূরক খাদ্য তৈরি, খাদ্য উপকরণ ও পরিমাণসহ একটি পোস্টার তৈরি করতে বলবেন। |
Read more